প্রবা
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৪ ০৯:১৫ এএম
বায়ু দূষণ
নিয়ন্ত্রণে আনুন
ঢাকায় বায়ুদূষণের
সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। চলতি বছর ১৬ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি
সেলসিয়াস রেকর্ড তাপমাত্রা হয়েছিল, যেটি ছিল ১৯৬৫ সালের পর অর্থাৎ ৫৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
হঠাৎ করে এ দাবদাহ অনেকটা নাভিশ্বাস তুলেছে জনজীবনে। আমাদের দাবদাহ পরিস্থিতি দীর্ঘদিনের
পরিবেশ ধ্বংসের ফল। পরিবেশ, আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুযায়ী ঢাকা কতটা বসবাস উপযোগী সেটিই
এখন বড় প্রশ্ন। গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বায়ুদূষণ নগরী হিসেবে রেকর্ড করেছে ঢাকা। এখন রেকর্ড
তাপমাত্রাও ভাবিয়ে তুলছে। যেখানে সারা বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের
নিচে রাখার জন্য লড়াই চলছে, ঠিক একই সময়ে গত ২০ বছরে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা বেড়েছে
প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জলাধার কমে যাওয়া। বৃক্ষনিধন
বন্ধ করাসহ জলাধার রক্ষা করা এবং যত্রতত্র প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পোড়ানো থেকে
বিরত থাকার পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা জরুরি। জীবাশ্ম
জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের
ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, প্রাকৃতিক পরিবেশ বিবেচনায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।
মোবারক হোসেন
ওয়ারী, ঢাকা
এডিসের উৎস
নির্মূল করুন
বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই থেমে থেমে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি বৃষ্টির দেখা মিলছে। রাজধানীতে বৃষ্টির পানি বেরিয়ে যাওয়ার পথগুলো মসৃণ না হওয়ায় পানি আটকে পড়ার চিত্রও রয়েছে। আর বদ্ধপানিতে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভার প্রজননসক্ষমতা বাড়ে। ফলে এডিস মশার বিস্তারও ঘটে বেশি। এ মশা যত বেশি হবে ডেঙ্গুর হারও তত বাড়বে। আমাদের প্রয়োজন এডিস মশার বংশবিস্তারের উৎসগুলো বন্ধ করা। বাসাবাড়িতেও যেখানে এডিসের বংশবিস্তারের সুযোগ রয়েছে, সেসব উৎস বন্ধ করা। এসব উৎস বন্ধ না করতে পারলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকেই যাবে। সেই সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বন্ধে এডিস মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনগুলোকেও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইতঃপূর্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা পরিচালিত জরিপে উত্তর সিটি এবং দক্ষিণ সিটির কয়েকটি ওয়ার্ডে এডিস মশা অতিরিক্ত মাত্রায় চিহ্নিত হয়েছিল। তাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এ ঝুঁকিচিহ্নিত ওয়ার্ডগুলোয় মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এডিস নিধন এবং এডিসের বংশবিস্তার রোধে জোরদার অভিযান পরিচালনা করবেÑএ প্রত্যাশা রাজধানীবাসীর।
আরিফুল আমিন
আবদুল্লাহপুর,
ঢাকা
নিরবিচ্ছিন্ন
বিদ্যুৎ চাই
এইচএসসি পরীক্ষা চলছে। বর্ষা মৌসুমও চলছে, তবে গরমের তীব্রতা কমেনি। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে লোডশেডিং সমস্যা। অথচ আমাদের উৎপাদনসক্ষমতা বেড়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে এটা একটা বড় প্রশ্নÑআমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্পূর্ণ সক্ষম থাকার পরও কেন দিনের পর দিন লোডশেডিংয়ের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। এ সক্ষমতা অর্জনে প্রচুর বিনিয়োগ হয়েছে, আরও হচ্ছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে আরও নতুন সক্ষমতা যোগ হতে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারায় অনেক সময় লোডশেডিং হচ্ছে। আবার দেশের অধিকাংশ স্থানে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের বেহাল ও জরাজীর্ণ অবস্থাকেও লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী করা হয়। সঞ্চালন লাইনে বড় ধরনের বিভ্রাটে দেশের প্রায় অর্ধেক অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ার নজিরও রয়েছে। সরকার বিদ্যুতের গুরুত্ব বিবেচনা করেই দেশের শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম হাতে নেয় এবং সফলও হয়। আমরা প্রত্যাশা করি, এ সাফল্য ধরে রাখতে চাহিদামতো বিদ্যুৎ প্রাপ্তির বিষয় নিশ্চিত করা হবে।
আফরীন কাদের
শৈলকুপা, ঝিনাইদহ